Jump to content
IslamicTeachings.org

অশান্ত আরব বিশ্ব : মার্কিন - ইয়াহুদী ষড়যন্ত্র না অভ্


MUSLIM WOMAN
 Share

Recommended Posts

সালাম আলাইকুম

অশান্ত আরব বিশ্ব : মার্কিন - ইয়াহুদী ষড়যন্ত্র না অভ্যূত্থান ?

 

ষড়যন্ত্র মতের পক্ষে যুক্তি :

 

মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইয়াহুদী ষড়যন্ত্রের কথা বললে অনেকেই হেসে উড়িয়ে দেন । কিন্ত্ত অতীত সাক্ষী – বহু প্রমাণ আছে মুসলমানদের বিরুদ্ধে এ ধরণের ষড়যন্ত্রের ।

 

 

৯/ ১১ এর দু:খজনক ঘটনার পিছনে ইয়াহুদীদের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উড়িয়ে দেয়া যায় না । মিথ্যা অজুহাতে ইরাক আক্রমণ করে এখনো সেখানে যে যুদ্ধ পশ্চিমারা চালিয়ে যাচ্ছে , তার জন্য চরমপন্থী ইয়াহুদীদের নিয়ন্ত্রিত ও সমর্থিত গণমাধ্যমও দায়ী।

 

 

 

এ ধরণের সর্বশেষ ষড়যন্ত্র দেখা গেল অল্প কিছুদিন আগে যখন আরব বিশ্বে অশান্তির সুযোগে ইসরাইল জেরুসালেমের পবিত্র আল কুদস আল – শরীফে নিজেদের শক্তি বাড়ায় ।

 

 

সংবাদমাধ্যমগুলি যখন ব্যস্ত লিবিয়া ও অন্য আরব দেশের বিক্ষোভের খবর নিয়ে , তখন ইসরাইল এই সময়কে বেছে নেয় সেনাবাহিনীর তিনটি কলেজকে পূর্ব - জেরুসালেমে স্থানান্তরের জন্য । অন্য সময়ে এটি করলে বিষয়টি যত আলোচিত হতো , এই সময়ে করাতে তা গণমাধ্যমে তেমন আলোচিত হলো না ।

 

মিসরে কী ঘটছে ?

২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারী মিসরের সেনাপ্রধান লে: জে: সামি এনার নেতৃত্বে উচ্চপদস্থ এক সামরিক প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে তিনদিনের সফরে যায় । মিসরে এর একদিন পরেই প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয় ও সেনাপ্রধান ২৮ জানুয়ারী পর্যন্ত আর দেশে ফিরলেন না । আমরা জানি না তারা সেখানে কী ধরণের নির্দেশ পেয়েছেন তবে এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে মিসরে কী ঘটছে না ঘটছে সে বিষয়ে সেনাপ্রধানের সাথে পেন্টাগণের কর্মকর্তারা কথা বলে নি ।

 

 

 

মিসরের ‘ অভ্যুত্থান ‘ মার্কিন ও ইসরাইলের পরিকল্পনা ?

 

 

২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরাইলের সেই সময়ের আভ্যন্তরীন নিরাপত্তা মন্ত্রী এভি ডিচটার তেল- আবিবে এক বক্তৃতা দেন । সেখানে তিনি বলেন কিভাবে মিসরে ক্ষমতা হস্তান্তর চায় ইসরাইল ও আমেরিকা । তিনি তিনটি চিত্র তুলে ধরেন ।

 

১ . মুসলিম ব্রাদারহুড সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতির সুযোগ নেবে ও নিজেদেরকে সরকারে অন্তর্ভূক্ত করার চেষ্টা চালাবে ।

২. সেনাবাহিনী ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেবে ,

 

৩. মুবারকের বদলে ওমর সুলায়মান বা জামাল মুবারাককে ক্ষমতায় বসানো হবে । তবে এই ভবিষ্যতবাণী করা হয় যে পরিস্থিতি বেশী খারাপ হলে নির্বাচন করতে হতে পারে যাতে পছন্দের নতুন কাউকে ক্ষমতায় আনা যায় ।

 

ডিচটার আরো জানায় ইসরাইল ও আমেরিকা মিসরের আভ্যন্তরীন অবস্থাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে ও যে কোন পরিস্থিতি যাতে মোকাবেলা করা যায় সেজন্য তাদেরকে সম্পদ – সামর্থ্যকে ব্যবহার করছে । আমরা জানি মুবারকের থেকেও ওমর সুলায়মানকে ইসরাইল বেশী কাছের মানুষ ভাবে । সুলায়মান মার্কিনীদের হয়ে তাদের ব্যক্তিগত নির্যাতনকারী হিসাবে কাজ করেছে । সিআইএর এক গোয়েন্দার মত হলো : যদি কাউকে জীবনে আর কোনদিন দেখতে না চাও , তাকে মিসরে পাঠিয়ে দাও ।

 

 

 

আমরা আজ দেখছি মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতারা রাজী হয়েছেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোন প্রার্থী না দিতে । আরো আশ্চর্যজনক যে তারা এখন বলছে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতেও তারা চেষ্টা করবে না ।

 

এই দল ঘোষণা দিয়েছে তাদের রাজনৈতিক দলের নাম হবে ফ্রিডম ও জাস্টিস পার্টি । তুরস্কের জাস্টিস এন্ড ডেভেলাপমেন্ট পার্টির সাথে কেমন মিল রয়েছে দেখুন । তুরস্কের একটি দলের নামের মত করে নাম বেছে নেয়ার মধ্য দিয়ে হয়তো মুসলিম ব্রাদারহুড পশ্চিমাদের কাছে এই বার্তা পাঠাচ্ছে : আমরা ইসরাইলের সাথে শান্তিচুক্তি বজায় রাখবো বা তুরস্কের মতো ধর্মনিরপেক্ষ মুসলিম রাষ্ট্র হবো ।

 

তুরস্ক সম্পর্কে তারিক রামাদান এর মন্তব্য : তুরস্ক থেকে অনেক কিছু শেখার আছে ও তাদের উদাহরণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের প্রেরণার উৎস ।

 

 

 

তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আজো মুসলিম নারীরা হিজাব পড়ে যেতে পারেন না যা ধর্মভীরু মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য একটি বড় বাঁধা । ইসলামের বিরুদ্ধে কামাল আতাতুর্ক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল ; আজো তার সমর্থকরা সেই ঘৃণা ও বিদ্বেষ উত্তরাধিকার সূত্রে বহন করে চলেছে । তাই জ্যাক স্ট্র ও তার মত ইসলাম বিরোধী পশ্চিমা রাজনীতিবিদরা চায় অন্য সব আরব ও মুসলিমপ্রধান দেশগুলি তুরস্কের আদর্শ গ্রহণ করুক ।

 

 

সংবিধানের ফাঁদ :

 

২০০৭ সালের জুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ এক সম্মেলনে বলে : অনেকেই আজ আমাদের সাথে যোগ দিতে পারে নি । কেননা , তাদেরকে অন্যায়ভাবে জেলে বা ঘরে আটক রাখা হয়েছে । আমি সেই দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন বেলারুসের আলেকজান্ডার কযুলিন , মিয়ানমারের আউং সান সূ চী , কিউবার অস্কার ইলিয়াস , মিসরের আয়মান নূর আমাদের সাথে সম্মেলনে যোগ দেবেন । নূর পরে স্বাস্থ্যগত কারণে ২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারীতে মুক্তি পান । নূরের এই বিশেষ মর্যাদা শুধু এজন্য নয় যে সে সংবিধান নতুন করে লেখার প্রকল্প হাতে নিয়েছে ; আরো কারণ হলো মিসরকে সে পুরোপুরি পশ্চিমা আদর্শে গড়ে তুলতে চায় ।

 

 

 

মিসরে বেশ কয়েকটি দল দাবী জানাচ্ছে সংবিধান নতুন করে লেখার ও এর ২ নং অধ্যাদেশ বাতিল করার জন্য যাতে বলা আছে : ইসরাম রাষ্ট্রধর্ম ; আরবী রাষ্ট্রভাষা ও বিচার বিভাগের মূল উৎস হলো শরীয়াহ আইন । মুবারকের পদত্যাগের পর আল - ওরাসাত দলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়া হলো । এই দল দাবী করে যে কোন খ্রিষ্টানকে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বানাতে হবে ।

 

 

মিসরের কিছু দল সংবিধান বদলানোর দাবীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে । সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কমিটি এই বিষয়কে উপেক্ষা করে চলেছে । অবশ্য পাশ্চাত্যপন্থী কিছু দল নতুন সংবিধানের খসড়া এর মধ্যেই বানিয়েছে । মিসরের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান হাফিয আবু সায়দা জানান তার খসড়া তৈরী হয়ে আছে ।

 

 

দেশ চলছে আগের মতই ?

 

 

 

মিসরে জরুরী অবস্থা আজো বহাল , রাজনীতিবিদরা এখনো জেলে বন্দী , সংবিধান নতুন করে লেখা হচ্ছে সেই সামরিক জান্তার আশীর্বাদ নিয়ে যারা এখনো মোবারককে নিরাপত্তা দিয়ে চলেছে । মোবারক দেশের ভিতরেই এক বিনোদন কেন্দ্রে আরাম – আয়েশেই দিন কাটাচ্ছে ।

 

এ কী ধরণের গণ – অভ্যূত্থান যেখানে পরিবর্তন বলতে শুধু হাতেগোণা কয়েকজনকে ক্ষমতা থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে কিন্ত্ত পুরো দেশ চলছে আগের মতোই আর দেশে এখনো জরুরী অবস্থা বহাল ?

 

পশ্চিমাদের ভন্ডামি :

 

পশ্চিমাদের ভন্ডামি বা দ্বিমুখী আচরণের প্রমাণ তারা গত ৪০ বছর ধরে লিবিয়ায় গাদ্দাফিকে ক্ষমতায় থাকতে দিয়েছে । ব্রিটিশরা এই একনায়কের তেল চুক্তি করেছে । আর এখন এই পশ্চিমারাই গাদ্দাফির বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের অস্ত্র দিয়ে সমর্থন দেয়ার কথা বলছে ।

 

হিলারী ক্লিনটন ইরান , বাইরাইনে , মিসরে বিক্ষোভের সময় সেই সব তরুণদের প্রশংসা করেছেন যারা যোগাযোগ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলন জোরদারে ভূমিকা রেখেছে । অথচ সৌদি আরবের বিক্ষোভকারীদের প্রশংসা তার মুখে শোনা যায় নি । সৌদি আরবে যখন সরকার বিরোধীরা বিশেষ করে শিয়ারা বিক্ষোভ করতে চায় , তখন মার্কিনীরা তা সমর্থন করে না কেন ? কারণ সহজেই আন্দাজ করা যায় - সৌদি বাদশাহ আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র ।

 

কখনো আমেরিকা একটি দেশের বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানায় ও তাদেরকে সশস্ত্র আন্দোলন করার জন্য অস্ত্র সররাহ করতে চায় , মানবিক সাহায্যের নামে সে দেশে সামরিক অভিযানকে সমর্থন দেয় , কোন দেশের আকাশকে ‘ নো ফ্লাই ‘ জোন হিসাবে ঘোষণা দিতে চায় , আবার কখনো বিক্ষোভকারীদের দাবী যুক্তিযুক্ত হলেও সে ব্যপারে তারা নীরব থাকে - আমেরিকার এই ভন্ডামি মুসলমানদের নিন্দা কুড়াচ্ছে ও তাদেরকে আরো বেশী মার্কিন বিদ্বেষী করে তুলছে ।

 

 

আসলে আমেরিকা এখনো বুঝে উঠতে পারছে না আরব বিশ্বে তাদের প্রভাব বজায় রাখার জন্য ঠিক কী করা দরকার । আমেরিকার যে কোন নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পিছনে ইয়াহুদীদের প্রভাব থাকে । যিশু খ্রিস্ট ইসরাইলের এক ইয়াহুদি পরিবারে জন্ম নেন ও খ্রিস্টানদের পবিত্র বাইবেলে আছে যারা স্রষ্টার এই নির্বাচিত জাতিকে সাহায্য করবে তারা স্রষ্টার করুণা লাভ করবে । তাই অনেক খ্রিষ্টান মনে করে ইয়াহুদিদের সাহায্য করা তাদের পবিত্র কর্তব্য । এছাড়াও ইয়াহুদী লবি আমেরিকায় অত্যন্ত প্রভাবশীল । তাই যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমেরিকাকে ভাবতে হয় যেন তাতে ইসরাইলের স্বার্থের কোন ক্ষতি না হয় ।

 

মুসলিম বিশ্বের প্রতি পশ্চিমাদের নীতি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে : পশ্চিমারা এখন মুসলিম বিশ্বের প্রতি তাদের নীতি পর্যালোচনা করার চেষ্টা চালাবে ।

 

 

কেননা , তারা দেখছে পুতুল সরকারকে সমর্থন দিয়ে আর লাভ হচ্ছে না ও নিজেদের দূর্বলতাও প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে । পশ্চিমা নাগরিকদের কর্তব্য নিজ নিজ দেশের সরকার প্রধানের উপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে তারা আর দূর্নীতিগ্রস্থ একনায়কদের সমর্থন না দেয় । যুগ যুগ ধরে একনায়কদের সমর্থন দিয়ে ও তাদেরকে ক্ষমতায় থাকতে সাহায্য করে , আবার দরকার ফুরিয়ে গেলে তাদেরকে আকাশ থেকে মাটিতে ফেলে দিয়ে নতুন কোন একনায়ককে ক্ষমতায় বসানো – এই অশুভ চক্র চালিয়ে যাওয়ার জন্য পশ্চিমারা মুসলিম বিশ্বে ঘৃণার পাত্রে পরিণত হচ্ছে ।

 

 

আমরা মরে যাই নি :

 

 

 

অন্যায় – অবিচার যতদিন ধরেই চলুক না কেন , যখন আল্লাহর আদেশ আসবে , তখন অত্যাচারীর পতন ঘটবে ও তিনি অত্যাচারী শাসককে পুরো দুনিয়ার সামনে অপমানিত করবেন । পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলে দিয়েছেন , আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা বদলান না যতক্ষণ না তারা নিজ অবস্থা নিজে বদলায় ( সুরা রাদ ; আয়াত ১১ ) । মুসলমানরা নিজেদের ভাগ্য বদলাতে চেষ্টা করছে এখন ; একনায়কদের বিরুদ্ধে তারা রাস্তায় নেমেছে , ইয়ামেনের শিশুরা জানিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রপতি সালেহ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা পড়াশোনা করবে না ।

 

অর্থনৈতিক শোষণ ও বিভিন্ন অবিচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মুসলমানদের সচেতনতা ও রাস্তায় নারী – পুরুষ – শিশুদের নেমে আসা মুসলিম উম্মাহকে এই আত্মবিশ্বাস দেয় যে আমরা হয়তো অসুস্থ ; এতটাই অসুস্থ যে শরীর –মন অবশ হয়ে আছে , তবু আমরা মরে যাই নি । আমরা মরে যাবো না – সবসময়ই সংস্কার ও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাবো । আরব বিশ্বের মানুষদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আমাদের এই বিশ্বাস দেয় যে উম্মাহ সত্যিই পরিবর্তন ঘটাতে পারে ।

 

 

আরব বিশ্বের বর্তমান অশান্ত পরিবেশ ও বিক্ষোভ যদি মুসলিম বিরোধীদের কোন ষড়যন্ত্র হয়ে থাকে ,ইনশাআল্লাহ তা সফলকাম হবে না । আর এটি যদি ষড়যন্ত্র নাও হয় , তবুও এটা নিশ্চিত যে ইসলাম বিরোধী শক্তি এ থেকে সুযোগ নিতে চাইবে ।

 

 

উম্মাহর দরকার সঠিক নেতৃত্ব যারা আর সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে অন্যায়ভাবে মুসলিম দেশগুলিকে শোষণ করতে দেবে না :

 

আল্লাহ মুসলিম উম্মাহর জন্য যা কল্যাণকর , তা নির্ধারণ করে দিন , সহজসাধ্য করে দিন , আমীন ।

 

[ সহায়ক সূত্র : Conspiracy: Not a Theory But History ;

 

http://www.ummahpulse.com/2011/02/conspiracy-not-theory-but-history.html

 

Why is Hillary Not Defending the Rights of Saudi Protesters?

 

 

http://www.informationclearinghouse.info/article27639.htm ;

 

Revolution in Libya: A proof for the Ummah

http://www.islam21c.com/politics/2288-revolution-in-libya-a-proof-for-the-ummah?utm_source=MRDF&utm_campaign=14fa70b600-i21c_jan_newsletter_wk4_21_27_2011&utm_medium=email

 

Link to comment
Share on other sites

  • 2 weeks later...

Asalamu'alaikum

 

যা আশংকা করা হয়েছিল , তাই ঘটছে । সাম্রাজ্যবাদীরা লিবিয়ার অশান্ত পরিবেশের সুযোগে সেখানে হামলা চালিয়েছে । এখনো পর্যন্ত শুধু আকাশ পথেই আক্রমণ চালালেও খুব তাড়াতাড়ি যে স্থলপথেও আক্রমণ শুরু হবে , তা একরকম নিশ্চিতভাবেই বলা যায় । ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরুন কথা দিয়েছে - লিবিয়া আরেকটি ইরাক হবে না । যাক্ । নিম্চিন্ত হওয়া গেল ।

 

পশ্চিমা নেতাদের কথা আমরা তো বিশ্বাস করতেই পারি । সাদ্দামের কাছে অস্ত্র থাকা নিয়ে তারা যে সত্য ভাষণ দিয়েছিল , তা তো পুরো দুনিয়া দেখেছে ।

 

 

এখন দেখার বিষয় , লিবিয়ার তেল সম্পদকে কব্জা করে এরপর কোন মুসলিম প্রধান দেশকে তারা তাদের লোভ ও হিংস্রতার শিকার বানায় ।

 

হে আল্লাহ , মুসলমানদের আপনি কাফিরদের অত্যাচারের পাত্রে পরিণত করবেন না , আমীন ।

Link to comment
Share on other sites

Create an account or sign in to comment

You need to be a member in order to leave a comment

Create an account

Sign up for a new account in our community. It's easy!

Register a new account

Sign in

Already have an account? Sign in here.

Sign In Now
 Share

×
×
  • Create New...